অভিনন্দন

পাঠক ভাই ও বোনেরা,আমার বাংলা ব্লগ আপনাদের কাছে কেমন লাগে এবং কেমন দেখতে চান দয়া করে বলুন ।কোন বুদ্ধি পরামর্শ থাকলে তা প্রদান করুন ।আপনাদের জন্যই আমার এই ব্লগ
ভাইসব!! বিশ্বাস করুন - আমি ডাক্তার নই। আমি জীবনে একটা মেডিক্যাল বই হাত দিয়ে ধরে দেখিনি Blog এর সকল পোষ্টের পিছনে রয়েছে Google Blog Facebook এর ভুমিকা। এখানে যাই পেয়েছেন / পাবেন তার কিছুতেই আমার কোন জ্ঞান নেই। Blog পোষ্টগুলো শুধুমাত্র আপনাদের ধারনার জন্য। রোগ জিইয়ে না রেখে সময় মত ডাক্তার এর সাথে আলাপ আলোচনা করুন। নিজেকে নিরাপদ রাখুন।

Jan 28, 2013

হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার জন্য কিছু উপায়


(আমার ব্যক্তিগত পদ্ধতি): ১.
মোবাইল
কিংবা কম্পিউটারে পর্ন
ভিডিও
রাখবেন না।
২. গোসল করতে শরীরের সমস্ত
কাপড় খুলবেন
না, সম্ভব হলে টয়লেটের
দরজা খোলা রেখে গোসল করুন।
৩. কোন কারনে লিঙ্গত্থান
(উত্তেজিত) হলে ভুলেও লিঙ্গ
হাত দিয়ে ধরবেন না।
******
৪. হস্তমৈথুন এর জন্য মন
চাইলে এর খারাপ
দিক গুলো নিয়ে ভাবুন।
মনে রাখবেন হস্তমৈথুন
থেকে স্বপ্নদোষ
হতে পারে। তাই রাতের
অস্বস্তিকর
অবস্থা এড়াতে যৌনচিন্তা মাথায়
আসলে মনকে অন্যকোন চিন্তায়
ব্যস্ত
করে দিন। পুনশ্চঃ আপনার কোন
নিজস্ব
পদ্ধতি থাকলে অন্যদের জানার
স্বার্থে কমেন্টে শেয়ার
করতে পারেন।

“ব্রা”



“BRA” (ব্রা) সম্পর্কে কতোটুকু জানেন ?
শব্দটির সাথে সবাই পরিচিত অন্য রকম
আবেগে (হা…হা…হা =p~ …) কিন্তু
পুরো “BRA” (ব্রা)র সাথে আপনার তেমন
মিতালী নেই । ঠিক কিনা ? যদি ভেবে থাকেন
এ ব্যাপারে আপনি পন্ডিত, তবে বলুন তো --- ১) কোন “BRA” (ব্রা)
টিতে লম্বা লম্বা লম্বা দাগ (stripe) আছে ?-
-
-
-
- - -
- zeBRA / জেব্রা ২) কোন “BRA”(ব্রা)য়
হাত রাখলেই
আপনি মরবেন ?-
-
- -
- -
-
-
- coBRA / কোবরা (কোব্রা) ৩) কোন
“BRA” (ব্রা) দিয়ে আপনি অংক করবেন ?-
-
-
- algeBRA / এ্যালজাব্রা ৪) কোন
“BRA” (ব্রা)য় যাদু বা ম্যাজিক
আছে ?- -
-
-
- aBRAkadaBRA / ­ এ্যাব্রাকাডাব্রা ৫)
কোন BRA-র সমর্থকদের নৃত্য
দেখলে ফোকলা বুড়োও যৌবন ফিরে পায়? BRAZIL ৬) মেটালিক “BRA” (ব্রা) কোনটি ?-
-
-
-
-
BRAss / ব্রাশ ৭) এ্যাঞ্জেলিনা জোলি রাতে কোন
“BRA” (ব্রা) টি বুকে রাখেন?-
-
-
-
- - -
BRAd pit... / ব্রাড পিট ৮) গাছের
“BRA” (ব্রা) কি জিনিষ ?-
-
-
- - BRAnch / ব্রাঞ্চ (শাখা-প্রশাখা) ৯) যে “BRA” (ব্রা)
ছাড়া মার্কেটিং হয়না ?-
-
-
- - BRAnd / ব্রান্ড ১০) পাংচুয়েশান
করতে কোন “BRA” (ব্রা) লাগে ?-
-
-
-
- -
BRAcket / ব্রাকেট ১১) কোন কক্ষে “BRA” (ব্রা) সংরক্ষন
করা হয় ?-
-
-
-
- -liBRAry / লাইব্রেরী ১২) কোন “BRA” (ব্রা) টি শতাব্দীকাল
মানুষকে অনুপ্রানিত করেছে ?-
-
-
-
- aBRAham lincoln! / আব্রাহাম লিংকন ১২) কোন “BRA” (ব্রা)
টি না হলে থামতে পারবেন না ?-
-
-
-
- BRAke / ব্রেক ১৩) সাহসী “BRA” (ব্রা) কোনটি ?-
-
-
-
-
- BRAvado / ব্রাভাডো ১৪) রাশিচক্রে “BRA” (ব্রা) কোনটি ?
-
- liBRA / লিব্রা ১৫) এই যে এতোক্ষন যাবৎ
এই
আজাইররা পোষ্টে মাথা ঘামালেন তা কোন
“ব্রা” (BRA)র সুবাদে ? -
-
- -
-
BRAin / ব্রেন আর আপনি এতোদিন জানতেন
যে কেবলমাত্র মেয়েরাই শুধু “ব্রা” (BRA)ব্যবহার করে ???


যৌনমিলনের আসন



পৃথিবীব্যাপী বিভিন্ন প্রকার
যৌনাসন
রয়েছে। এগুলোর
ব্যাখ্যা আমরা বিভিন্ন
সময়ে জেনেছি এটা বলা দরকার
যে যৌনমিলনের জন্য যৌনাসন
সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়। পুরুষ
কিংবা নারীর যৌন আনন্দ
এবং চরমপুলক নির্ভর করে পছন্দ
সই
যৌন আসনের উপর। যৌন আসনের
বেশ
কিছু আসন জনপ্রিয় নয়।
তবে অনেক
দম্পতি এই
আসনগুলোতে যৌনমিলন
করে থাকে, আসনের
একঘেয়েমি কাটাতে। নারী পুরুষের
দৈহিক
মিলনের আসনগুলো হলো-
পুরুষ উপরে নারী নিচে।
নারী উপরে পুরুষ নিচে।
পাশাপাশি আসন।
বিরল আসন।
বসা আসন।
উল্টো আসন ইত্যাদি।
এই আসনগুলোর মধ্যে পুরুষ
উপরে নারী নিচে এবং পাশপাশি
আসন
দুটো পৃথিবীব্যাপী জনপ্রিয়। পুরুষ
উপরের আসনকে মিশনারী আসন
বলা হয়। পুরুষ এই
আসনে সবচেয়ে বেশি যৌন আনন্দ
পেয়ে থাকে। নারীও এই
মিশানারী আসনে সবচেয়ে বেশি যৌন
আনন্দ লাভ করে।
সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ
ফিরোজ

অকাল বীর্যপাত


পুরুষ যদি উত্তেজনার শুরুতেই
বীর্য
ত্যাগ করে তবে তাকে অকাল
বীর্যপাত
বলে। নারীর সাথে দৈহিক মিলনের
সময়
পুরুষ
নানা ভাবে নারীকে উত্তেজিত
করে। এই সময় উভয়েই উভয়েই
শরীর
স্পর্শ করে এবং নানাভাবে আদর
করে।
অনেক পুরুষের এই সময়েই
বীর্যপাত
হয়ে যায়। এতে করে পরবর্তী যৌন
উত্তেজনা আর তীব্র হয় না।
অকাল
বীর্যপাতের
ব্যাপারে কয়েকটি পরামর্শ
হলো–
লিঙ্গে স্পর্শ না করা।
প্রথমেই তীব্র উত্তেজিত
না হওয়া ।
পারস্পরিক হস্তমৈথুন ।
লিঙ্গের
উত্তেজনা ধরে রাখা ইত্যাদি ।
চিকিৎসা
ডায়াজিপাম অথবা লিব্রিয়ামের
ব্যবহার ।
যৌনমিলনের
আধাঘন্টা আগে ট্যাবলেট
মেলারিল ৫ থেকে ১০ মিঃগ্রাম
সেবন।
ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত পুরুষের
যৌন
জীবনের একটি সমস্যা। বিভিন্ন
শারীরিক এবং মানসিক কারণে এই
অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে।
সাইকোজেনিক কারণে অবশ্য এই
সমস্যা হয় বেশি। অনেক
ক্ষেত্রে আঘাতজনিত
কোনো কারণে ও
এটি হতে পারে। বিভিন্ন কারণের
মধ্যে উল্লেখযোগ্য
কারণগুলো হলো –
কঠিন ধর্মীয় কুসংস্কার ।
গর্ভাবস্থার ভয় ।
নারীর কাছ থেকে লাঞ্ছিত হওয়া ।
সেলিবেসি অবস্থার চাপ ।
বীর্যদানে কার্পণ্য মনোভাব
ইত্যাদি ।
সূত্রঃ প্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ
ফিরোজ

মেয়েদের ঋতুচক্র বা মাসিক

মেয়েদের ঋতুচক্র বা মাসিক
প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের
প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু
চক্রাকারে যে পরিবর্তনের
মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু
নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের
হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন
স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন)
এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ,
২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন)
একে প্রলিফারেটিভ ফেজ
এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন)
স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ
বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত
বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই
রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা
ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা,
জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত
আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন,
প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত
ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন
এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ
ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন
স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন
হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময়
জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন
করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ,
প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন।
একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও
বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও
প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ
কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত
ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ
প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু
দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার
মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই
পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র
চলতে থাকে।

Jan 26, 2013

দাম্পত্য জীবনঃ---বৌ-এর ব্যাপারে যদি আপনার বাবা-মা, পাড়া-প্রতিবেশীরা কানে কথা লাগায়


দাম্পত্য জীবনঃ---বৌ-এর ব্যাপারে যদি আপনার বাবা-মা, পাড়া-প্রতিবেশীরা কানে কথা লাগায়

প্রতিটি ছেলেই বিয়ের আগে বাবা মায়ের আশ্রয়ে বড় হয়ে ওঠে। ছোট বেলা থেকেই সন্তানেরা বাবা-মায়ের ওপর নির্ভরশীল থাকে। বাবা-মা যেহেতু ছেলেকে লালন-পালন করে বড় করে তোলেন, সেহেতু তারা স্বাভাবিকভাবেই আশা করেন যে, বড় হয়ে ছেলে তাদের দেখাশোনা করবে।
১. বিয়ে করার পর বাবা-মা যখন দেখেন যে, ছেলে তার নতুন সংসার তথা স্ত্রীর প্রতিই বেশী যত্নশীল হয়ে পড়ছে, তখন বাবা-মা কষ্ট পান।
২. ছেলেকে বিয়ে দিয়ে তারা আপাততদৃষ্টিতে স্বাধীন করে দিলেও মনে মনে ঠিকই প্রত্যাশা করেন যে, ছেলে তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি সম্মান দেখাবে।
৩. কিন্তু বাস্তবে তা না দেখতে পেয়ে ভাবেন পুত্রবধূটিই এই পরিস্থিতির কারণ। সেজন্যেই তারা পুত্রবধূর ওপর থেকে ছেলেরমনোযোগ কমাতে নববধূটির পেছনে লেগে পড়েন।
৪. আর বাবা-মায়ের এই দুঃখজনক আচরণ ছেলের নতুন জীবনের জন্যে মোটেই কল্যাণকর নয়। তাই ছেলেকেঅত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে যার যার অধিকার বুঝিয়ে দেয়াই হবে যুক্তিযুক্ত।
৫. বাবা-মা ছেলের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে যে, ছেলে উপার্জনক্ষম হলে তাদের প্রতি ছেলে লক্ষ্য রাখবে। বাবা-মায়েরএই প্রত্যাশা তাদের অনিবার্য অধিকার। এই অধিকার বিয়ের পরও যথাযথভাবেই অটুট থাকে।
৬. স্ত্রীর প্রতি মনোযোগী হবার পাশাপাশি বাবা-মায়ের প্রতি আন্তরিক দায়িত্ব পালনেও সক্রিয়হতে হবে।
৭. বাবা-মায়ের আর্থিক সংকট মেটানো উপার্জনক্ষম সন্তানের অন্যতম কর্তব্য। তাই আগের মতোইবাবা-মায়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা এবং তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করা ছেলের কর্তব্য।
৮. এই কর্তব্য যদি ছেলে পালন করে, তাহলে বাবা-মা ছেলের বৌ এবং সংসারের মঙ্গল কামনা করবে।সে ক্ষেত্রে ছেলের বৌ-এর পেছনে লাগার কোন কারণ আর ঘটবে না।
৯. কিন্তু তারপরও ব্যতিক্রমী কিছু ঘটনা ঘটে থাকে, সেসব ঘটনারক্ষেত্রে ছেলেকে গভীরভাবে ভাবতে হবে-বাবা-মায়ের কথা কতোটা ন্যায্য।
১০. অন্যায় বা অধর্মীয় কোন আদেশমানতে ছেলে বাধ্য নয়-একথা বাবা-মা এবং ছেলে সবারই জানা থাকা উচিত।
১১. বাবা-মায়ের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের কারণেই যদি তারা বৌকে অন্তরায় ভেবে থাকেন, সেক্ষেত্রে, ছেলের উচিত হবে-বাবা-মায়ের সাথে সুসম্পর্কবজায় রেখে চলা। বাবা-মাকে তার ঘরে ডেকে আনা,বাচ্চাদের বলা তারা যেন দাদা-দাদীকে সম্মান করে চলে।
১২. স্ত্রীকেও বলতে হবে সে যদি শ্বশুর শ্বাশুড়ীকে সম্মান করে চলে, শ্বশুর-শ্বাশুড়ীও ছেলের বৌ-এর বিরুদ্ধে লেগে পড়ার পরিবর্তে বরং বৌকে নিয়ে গর্ববোধ করবে, পুত্র বধূকে তারাসকল ক্ষেত্রেই সহায়তা করবে। ১৩. বাবা-মাকে সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করে স্বামী স্ত্রীমুখী হয়ে পড়ুক-স্ত্রীদের এ ধরনের চিন্তাএকেবারেই অন্যায্য। এ ধরনের দাবী না ন্যায়সঙ্গত না বাস্তবসম্মত।
১৪. বরং স্ত্রীরা কৌশলে বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর সাথে এমন আচরণ করতে পারে, যাতে তারা ভাবেযে বৌ তাদের সংসারের গুরুত্বপূর্ণ একজন সদস্য। তাতেউভয়কূল রক্ষা পাবে। মনে রাখতে হবে, বৃদ্ধ বাবা-মায়ের সেবা যত্নের মধ্যে সন্তানের কল্যাণ নিহিত রয়েছে।
১৫. একটা কথা বলে রাখা ভালো, তাহলো বাবা-মা সাধারণত ছেলের অমঙ্গল কামনা করে না। তারা যদি ছেলের সংসারে ঝামেলা ঘটানোর কোন কারণও হয়, তা কেবল তাদের নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য। ছেলে যদি তাদের অধিকার ঠিকমতো আদয় করে, তাহলে বাবা-মা ছেলের কল্যাণকামী হয়ে ওঠে।
পাড়া-প্রতিবেশীদের কথায় কানদিবেন না-----------
বাবা-মায়ের বাইরেও পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে অনেকে ঈর্ষুক থাকতে পারে। পাড়া-প্রতিবেশীরা হিংসা করে যদি কোন গীবত চর্চা করে, তাহলে তা খুবই ভয়ঙ্কর। তাদের কথায় হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া খুবই বোকামীপূর্ণ কাজ হবে। মনেরাখতে হবে বৌ আপনার জীবন সঙ্গী। সেও রক্ত-মাংশের মানুষ।
বউ যদি অন্যায় করে তখন কি করবেন?
১. পৃথিবীর কোন মানুষই ভুলের উর্ধ্বে নয়। বৌ-এর ব্যাপারে কেউ যদি আপনার কানে কথা লাগায়, তাহলে ধীরে-সুস্থে গভীর চিন্তা-ভাবনা করে ঠান্ডা মাথায়তা প্রতিহত করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। কোনভাবেই বাইরের লোকের কুৎসা রটনাকে পাত্তা দেয়া যাবে না।
২. বৌ-এর সাথে ভালোবাসাপূর্ণ আন্তরিকতা নিয়ে আলোচনা করার পরযদি মনে হয় যে, সত্যিই বৌ কোন অন্যায় করে ফেলেছে, তাহলে বৌ-এরঐ অন্যায়কে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখাই হবে বড় মনের পরিচয়।
৩. যুক্তি দিয়ে বৌকে সুন্দর করেবুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন-এর ফলে তাদের কী ক্ষতি হতে পারে,
৪. স্ত্রীকে হুট করেই কোন শাস্তি দেয়া একেবারেই ঠিক নয়। তাকে বুঝিয়ে বলার পর নিশ্চয় তার ভেতরে অনুশোচনাবোধ কাজ করবে। এর ফলে ভুলের পুনরাবৃত্তি আর নাও হতে পারে।
৫. অন্যদিকে আপনার স্ত্রী কৃতজ্ঞতায় আপনার প্রতি সব সময় সশ্রদ্ধ থাকবে। পরিণতিতে পারিবারিক শান্তি ও শৃঙ্খলা থাকবে অক্ষুন্ন।
৬. ক্রোধ খুবই মারাত্মক জিনিস। ক্রোধের আগুনে পুড়ে বহু সুন্দরসংসার ছারখার হয়ে গেছে। নষ্ট হয়ে যাবার পর ক্রুদ্ধরা কিন্তুঅনুতপ্ত হয়। ফলে ক্রোধ নয়, ধৈর্য্যরে পরিচয় দিন। আল্লাহ ধৈর্য্য ধারনকারীদের সাথে রয়েছেন।
(সুত্রঃ মুসলিম সমাজে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিত) আমার ব্লগ বাড়ীতে বেড়াতে আসার জন্য আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
এবং ---------------শুভেচ্ছা------------

দাম্পত্য জীবনঃ---------দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে---সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে--


দাম্পত্য জীবনঃ---------দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে---সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে--

কিছু শোন ওগো ভালবাসা বোন
পুরুষের কাছে নারী অমূল্য রতন।
দুনিয়াতে যত ধন পুরুষের আছে
সব থেকে মুল্যবান নারী তার কাছে।
কিন্তু সেই নারী বটে নেক হওয়া চায়
ইহ-পরকালে তবে হবে সুখময়।
দুনিয়াতে জাহান্নাম বদ নারী যার
ইহ পরকাল তার হবে ছারখার।
কষা জুতা পরে চলা যত কষ্টকর
তার থেকে বেশী কষ্ট বদ নারী যার।
জান্নাতি রমণীর কতিপয় আলামতঃ
১. জান্নাতি রমণী নেক ও পূন্যেরকাজে অংশ নেয় এবং আপন পালন কর্তার ইবাদত করে তাঁর হক আদায় করে।
২. জান্নাতী রমণী এমন ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করবে যাতে আল্লাহর নাফরমানী নেই।
৩. নিজের ইজ্জতের হেফাযত করবে -বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে।
৪. স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবেও তার সন্তানদের সঠিক ভাবে লালন-পালন করবে।
৫. সর্বদা এমনভাবে স্বামীর সম্মুখবর্তী হবে যাতে তিনি খুশি হন এবং এ জন্য নিজের অতিরিক্ত
সৌন্দর্য ও হাসি মুখ তার সামনে প্রকাশ করতে সচেষ্ট হবে।
৬. স্বামী রাগাম্বিত হলে যে কোনপ্রকারে তাকে খুশি করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করবে। কেননা সেই তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম।
৭. স্বামী তার সঙ্গ চাইলে কোনভাবেই তাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে না । তার ডাকে সাড়াদিবে এবং পরিপূর্ণরুপে নিজেকে তার কাছে সমর্পন করবে।
জান্নাতের অঙ্গীকারঃ
উল্লোখিত কাজগুলো করলেই প্রিয় নবিজীর ভাষায় তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার অঙ্গীকাররয়েছে। যেমনটি তিনি এরশাদ করেনঃ
স্ত্রী যদিঃ
১. স্ত্রী যদি পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করে।
২. রামাযানের সিয়াম পালন করে।
৩. নিজ লজ্জাস্থানের হেফাযত করে। (ব্যভিচার প্রভৃতি থেকে বিরত থাকে।) এবং
৪. স্বামীর আনুগত্য করে।
তবে তাকে বলা হবে জান্নাতের আটটির দরজার যে কোনটি দ্বারা জান্নাতে প্রবেশ করে। (মুসনাদেআহমদ হা/১৫৭৩)
================== ================
--------------------মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন, দুবাই, ইউ এ ই
ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড : ইসলাম ও নারী
বিষয়শ্রেণী: নারী

দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কৌশল


দাম্পত্য জীবনে সুখী হওয়ার কৌশল

মোঃ হারুন-অর-রশীদ
আধুনিক শিল্প সমাজের পরিবারে পারিবারিক ভাঙন, দাম্পত্য কলহ, নির্যাতনসহ নানা ধরনের জটিল সমস্যা দেখা যায়। এইসকল সমস্যা দিনে দিনে জটিল হয়ে যাচ্ছে, কারণ মানুষ হয়ে যাচ্ছে অনেকটাই যান্ত্রিক এবং কমে যাচ্ছে আদর, বন্ধন, ভালোবাসা, সহানুভূতি। কিন্তু কতিপয় পদ্ধতি অবলম্বন করলে সহজেই সুখী হওয়া যায়।
মনোজগত এমন একটি মাসিক পত্রিকা যার মাধ্যমে মানুষ যেমন তার দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন ঘাতক ব্যাধি সম্পর্কে সচেতন হতে পারে, তেমনি এ থেকে মানুষের মন সম্পর্কে (চেতন ও অবচেতন) ধারণা পায়।
মনোবিজ্ঞানের মতে, আমাদের দেহের শতকরা ৭০-৮০ ভাগ রোগই মনের জন্যহয়ে থাকে। আর মন ভালো বা খারাপ নির্ভর করে ২টি বিষয়ের ওপর-
(১) সংসার জীবন (২) পারিপার্শ্বিক পরিবেশ। এই লেখায় সংসার জীবনে সুখী হওয়ার ট্রিপস দেয়া হলো। পরবর্তী প্রকাশনায় পারিপার্শ্বিক পরিবেশ সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
বিশ্বস্ততা
সুখী সংসার গঠনের পূর্বতম শর্ত হলো বিশ্বস্ততা। বিশ্বাসহীন সংসার টিকে থাকা দুরূহ। বছরের পর বছর একই ছাদের নিচে বসবাস করার পরও দেখাযায় দুজনার মধ্যে প্রচুর বিশ্বস্ততার অভাব রয়েছে।কিন্তু তারা সংসার করছে কেবল সমমানহানি হবে বলে এবং বিশৃঙ্খলার ভয়ে অথবা ছেলেমেয়ের ভবিষ্যতের কথাচিন্তা করে।
সুখী দাম্পত্য জীবন চাইলে দুজনার মধ্যে বিশ্বস্ততা বাড়াতে হবে, অবিশ্বাসের মূল উঠিয়ে ফেলতে হবে, তথাপি অবিশ্বাসের বিষয়টি দুজনইআলোচনার মাধ্যমে নিরসন করতে হবে।
বয়স
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের তারতম্য দেখা যায়, কারো ক্ষেত্রে তা কম আবারকারো কারো ক্ষেত্রে তা বেশি।
আমাদের দেশে সাধারণ স্বামীর বয়স স্ত্রীর বয়সের তুলনায় অনেক বেশি থাকে আর তাই স্ত্রীর আচরণে কিছু ছেলেমানুষি দেখা যায়, তা স্বামীকে বুঝতে হবে এবং তার পজিটিভছেলেমানুষিগুলো মেনে নিতে হবে এবং নেগেটিভগুলোকে বুঝিয়ে সংশোধন করতে হবে। অন্যদিকে স্বামীর বয়স যেহেতু একটু বেশি তাই সে একটু সিরিয়াস থাকে, এটা স্ত্রীকে বুঝতে হবে এবং ছেলেমানুষি যথাসম্ভব কম করতে হবে। সর্বোপরি দুজনের ভালো বিনিময়ই সুখী সংসার।
স্বাধীনতা
স্বাধীনতা হলো মানুষের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার খর্ব হলে মানুষের প্রতি মানুষের বিতৃষ্ণা দেখা যায় এবং আচরণে অসঙ্গতি দেখা যায়, অবসান পায় শ্রদ্ধাবোধ এবং মানুষ ব্যাকুল হয় স্বাধীনতা লাভের জন্য। প্রয়োজনে সে হেয় কাজ করতে দ্বিধাবোধ করে না। আমাদের দেশে মানুষের মধ্যে কিছু ভ্রান্ত ধারণা দেখা যায় আর তা হলো স্বাধীনতা পেলেমানুষ নাকি খারাপ পথে পরিচালিত হয়।
কিন্তু এ ধারণা মিথ্যা। স্বাধীনতাপেলে মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাবোধ বাড়ে।
মূল্যায়ন
সংসার জীবনে নিজের তুলনায় অন্যকে বেশি প্রাধান্য দিতে হবে অর্থাৎ নিজেকে এখানে যথা সম্ভব কম তুলে ধরতে হবে হোক সে স্ত্রী বা স্বামী।সংসার জীবনে দেখা যায় প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই মূল্যায়নের আশাবাদী। আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি আমার এক নিকটআত্মীয়ের স্ত্রীর সাথে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকত এবং সামনে থাকতে স্ত্রী শ্রদ্ধা করত ও পেছনে সমালোচনা করত এবং নিন্দায় ভরে যেত তার মন। ব্যাপারটি আমি খতিয়ে দেখি স্বামী স্ত্রীর কাছে থেকে বেশি সমমানের আশা করত, সমাজে তার অবস্থান তুলে ধরত এবং বেশি বেশি বলত আমি এই-সেই-কত কী?
আমাদের এই ধরনের মনমানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে ‘একজন রাজা তারস্ত্রীর কাছে একজন সাধারণ স্বামী।’
দূরত্ব
সংসার জীবনে দুজনের মধ্যে থাকবে ছোট একটু ফাঁক, এর মানে বিচ্ছন্নতানয়। শুধু একটু শ্বাস ফেলার স্থান। এর মানে সে যা করতে চাচ্ছে না তা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া।
থাকুক না বাবা একটু দূরত্ব। সংসার জীবনে একটু ছাড় দিতেই হয়। সংসারজীবন তো আর মিলিটারি রোল নয়। সংসার হলো ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও শ্রদ্ধাবোধ।
কিছু কিছু সত্য বলা থেকে বিরত থাকা
অনেককে বাংলা ছবির সংলাপ বলতে দেখা যায় ‘এই সত্য কথা তাকে না বললে নিজেকে ক্ষমা করতে পারব না’ কিন্তু এই সত্য স্বামী স্ত্রীকে বা স্ত্রী স্বামীকে বলে তখন ক্ষণিক সময়ে তা মেনে নেয় কিন্তু পরবর্তী সময়ে এটা সত্যবাদীর জন্য দুর্বলতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য এমন কোনো সত্য কথা কথা বলা যাবে নাযা ভবিষ্যতে অস্ত্র হিসেবে কাজ করবে।
ক্ষমার মন-মানসিকতা ওশ্রদ্ধাবোধ
কঠোর হলে হবে না দুজনের মধ্যে প্রচুর ক্ষমার মানসিকতা যেমন থাকবে, তেমনি পারসপরিক শ্রদ্ধাবোধ থাকতে হবে। এই শ্রদ্ধাবোধ সংসারের বন্ধন দৃঢ় করে। তেমনি মানসিকতা থাকবে প্রচুর প্রফুল্ল এবং দুজন দুজনের প্রতি সমান দায়িত্ব পালন করবে।
পারসপরিক সম্প্রীতি
প্রখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড মনে করেন পিতা-মাতার কলহ শিশুর যৌন ও সংসার জীবনের প্রতিঅনীহা দেখা যায় এবং বিকাশে বাধা প্রদান করে। তাই দুজনকে শিশুর স্বার্থেই সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।
উপরোক্ত বিষয়গুলোর মূল কথা হলো কম্প্রোমাইজ। দুজনের বোঝাপড়ার মাধ্যমেই সুখী সংসার গঠন করা সম্ভব হয়। অন্যথায় দুজনকেই তুষের আগুনে চিরকাল জ্বলতে হয়।

বিনোদন ধংস পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কোমলমতি শিশুদের কে।ছবি সহ


বিনোদন ধংস পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কোমলমতি শিশুদের কে।ছবি সহ




কি অবাক হয়েছেন? অবাক হওয়ারী কথা। আমাদের কোমল মতি শিশুরা শিখতেছে নানার অপরাধ। তবু সেটা নিয়ে কারো নেয় মাথা ব্যাথা। সন্তান জম্ম দিয়ে নিজের দ্বায়িত্ব শেষ মনে করে আমাদের মা বাবারা। সন্তানের সামনেই দেখে নানার নোংরা বিনোদন। বিড়ি সিগারেট ছোট ছেলে মেয়েদের সামনেই খায়। ছেলে মেয়েদের সামনে দেখে নায়ক নায়িকাকে কিভাবে উক্তাত্ত করে, কিভাবে প্রেম নিবেদন করে, কি ভাবে জড়িয়ে ধরে, জড়িয়ে ধরে আরাম পেয়ে নায়ক নায়িকা চোখ বুঝে ঠোঁট বাঁকাতে থাকে? দশ বারো জন গুন্ডা পাণ্ডা এসে নায়িকার উপর ঝাপিয়ে পড়লো, তারা নায়িকার বুকের উড়না কেড়ে নিলো, ফলে গুন্ডা পাণ্ডাদের চোখের সামনে নায়িকার এক জোড়া বড় কমলা লেবু ভেসে ওঠে। তা দেখে গুন্ডা পাণ্ডারা পাগলা কুকুরের মতো নায়িকার পড়নের কাপড় খুলতে থাকে বা ছিঁড়তে থাকে। তখন নায়ক আকাশ থেকে গুন্ডা পাণ্ডাদের উপর লাফিয়ে পড়ে। একায় সবাই কে মেরে নায়িকার নামক বিশ্ব বেশ্যাকে উদ্দার করে বনে জঙ্গলে ব্যাঙ্গের মতো লাফা লাফি করতে থাকে। কিছু দিন এভাবে চলতে থাকে। তারপর নায়িকার বাবা নায়িকাকে অন্য ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চায়? অথবা দিয়ে দেয়। তখন নায়ক এর বেদনা সয়তে না পেরে মদ গাজা সব খায়তে শুরু করে । এই সব দূশ্য যখন যুবকরা দেখে তখন নিজেরদের কে নায়ক ভাবতে শুরু করে। তারা ও পাগলা কুত্তার মতো রাস্তার মেয়েদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। যথা তথাই প্রেম নিবেদন করতে থাকে। রাস্তা ঘাঁটে নারীদের কে উক্তাতো করতে থাকে। প্রেম হয়ে গেলে শুরু হয়ে যায় আরেক নোংরামি। একেক জনে রাত জেগে নোংরামি যত কথা আছে সব বলতে শুরু করে। বিয়ের আগেই রাস্তা ঘাঁটে অবৈধ সেক্স করতে শুরু করে। আবার এইসব দূশ্য ভিডিও করতে থাকে। আবার প্রেমিক প্রেমিকা নগ্ন করে এর ভিডিও করে। যখন এই সব নোংরা ভিডিও সমাজে প্রকাশ পেতে শুরু করে? তখন মেয়েরা এই সব নোংরামি অনেকে হজম না করতে পেরে আত্নহত্যা করতে বাধ্য হয়। এই সব মদ গাজা খুরি নায়কদের কাছ থেকে যুবকরা শিখতেছে মদ গাজা কিভাবে খেতে হয়। এই সব তৈয়রী করা লম্পট বদমাইশ পরিচালকরা যখন দেখতেছে তাদের তৈয়রী করা এইসব নোংরামি দেখে দেশের যুবকরা সব কিছু করতেছে? তখন তারা নতুন জায়গাতে হাত দিয়েছে। তারা এখন শিশু চলচিত্র বানানো শুরু করেছে। এই রকম ১৫ থেকে ২০ টি শিশু চলচিত্র তারা বানিয়ে ফেলেছে। এইসব চলচিত্রে অভিনয় করিয়েছে ১০থেকে ১২ বসরের ছেলে মেয়েদের কে। এইসব লম্পট বদমাইশরা এখানে শিখাছে কিভাবে প্রেম করতে হয়? কিভাবে বিড়ি সিগারেট খেতে হয়? কিভাবে অন্যের গাছের ডাব চুরি করে খেতে হয়? আমি এই সব শিশু চলচিত্রে এমন কয়েক টি দৃশ্য দেখেছি যা আমাকে অবাক করে দিয়েছে। এর ভিতরে ২টির দৃশ্যের কথা আমি বলতেছি। একঃ রাস্তায় পড়ে থাকা সিগারেট পেয়ে তুলে খেতে শুরু করলো। দুইঃনয় দশ বসরের ছাত্র স্কুল ছুটির হওয়ার পর স্কুলের গেটের সামনে দাড়িয়ে আসে। শিক্ষিকা এসে দেখে তার ছাত্র গেটের সামনে দাড়িয়ে আসে। শিক্ষিকাঃ কি বেপার তুমি এখানে দাড়িয়ে আসো কেনো? ছাত্রঃ আপনার জন্য। শিক্ষিকাঃ কেনো? ছাত্রঃ আপনারে আমি পছন্দ করি। শিক্ষিকাঃতাই বুঝি? তার পর ওনারা দুই জন কল্পনাতে নাচানাচি শুরু করলো। কল্পনা ভাঙ্গার পর শিক্ষিকা ছাত্রকে চুমু দিয়ে চলে গেলো। চুমু খেয়ে ছাত্র বুকে হাত দিয়ে বলতে লাগলোঃ ইস রে পরানডা জ্বইলা গেলরে.............. এবার আপনারাই বলুন যে সমাজের শিশুরা এই সমস্ত চিত্র দেখবে? তারা কি করে ভালো চরিত্রের অধিকারি হবে? কারন শিশুরা যা কিছু দেখে তারা তাই শিখে। আপনি আপনার সন্তান কে নারী বাজী দেখিয়ে,গাজা খুরি শেখিয়ে তার চরিত্র ভালো করতে পারবেন? অথচ আমাদের উতি শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রি বলেছেন তিনি না কি এই সব নোংরা সংকৃর্তি দিয়ে সমাজ থেকে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদী দূর করবেন। গাজা খুরিরা কথা বলার সময় ও মাথায় গিলু কিছুটা হলেও ঠিক রেখে কথা বলে। অথচ নিজেই সন্ত্রাস লালন করে। বাংলাদেশে কোনও সন্ত্রাসী রাজনিতি দল যদি থেকে থাকে ? তা হলে সেটা ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের সব চেয়ে কুলাঙ্গার,লুচ্ছা,বদ্মাইশ,লম্পট, নারী ধর্ষণ কারী রাজনিতি দল । এই সব লম্পটদের হাতে এই দেশের অনেক বোন তার অমূল ইজ্জত হারিয়েছে। শত শত মায়ের বুক হালি করেছে এই কুলাঙ্গার ছাত্রলীগ। যে নিজের ঘরের সন্ত্রাসী দূর করতে পারে না? সে কিভাবে দেশের সন্ত্রাসী দূর করবে? মগায় বলে কি? এই উতি শিক্ষিত মগারা কি চোখ দিয়ে দেখে না যে সময় বিনোদন ছিলো না সেই সময়ের যুবসমাজ কেমন ছিল? বর্তমান তা কেমন হয়েছে? যারা বলে চাঁদাবাজি করিয়ে,সন্ত্রাসবাদী শিখিয়ে,যুবক যুবতিদের অবাধ মেলামেশি করিয়ে, তিভির পর্দায় নায়িকার নামক বেশ্যা মেয়েদের দিয়ে অর্ধনগ্ন নাচ দেখিয়ে দেশের যুব সমাজ কে ভালো করতে চায়? এই সমস্ত মগারা দেশের যুব সমাজ কে ভালো করতে নয় বরং ধংস করতে চায়। কারন তারা ইহুদী খৃষ্টান নাস্তিকবাদি লাল কুত্তাদের পা চাটা দালাল। এই সমাজ কে ভালো করতে হলে দুনিয়ার কারো হাতের তৈয়রী করা আইনের প্রয়োজন নেই। এখানে ইসলামের আইনেই যথেষ্ট। যারা আল্লাহর তৈয়রী করা আইন বাদ দিয়ে নিজের মনগড়া আইন দিয়ে চলতে চায়? তাদের কে জুতা পেটে করে এই দেশ থেকে বিতারিত করা উচিৎ । জানিনা এই গাজা খুরী মগাদের হাত থেকে আমাদের দেশ কবে মুক্তি পাবে? বাংলাদেশের ওপর কিয়ামত ভয়ে যেতে পারে? তারপরেও এই দেশের নারী বাজী জনগন তাদের কে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাবে। দেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু দেশের মানুষ স্বাধীন হয়নি। এই দেশে যারা সত্য ও বাস্তবতার ওপর কথা বলে গেছে? তাদের কেই করুণ পরিনিতি ভোগ করতে হয়েছে। ধরা যাবেনা,ছোয়া যাবেনা, বলা যাবেনা কথা, রক্ত দিয়ে পেলাম শালার এমন স্বাধীনতা। কি আজব এই দেশ? যে দেশে নারী নির্যাতনের আইন আছে? কিন্তু পুরুষ নির্যাতনের আইন নাই। এই সব নারী বাদীদের থাপরিয়ে গাল ফাটিয়ে দেওয়া দরকার। যারা সমান অধিকারের কথা বলে পুরুষের বুঝা নারীর ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চায়? এই সব গাজা খুরী মগাদের কে দেখলে চিনা যায়না এইটা কি গাই না কি বলদ। আমার মনে হয় এতো ক্ষণে তাদের মাথায় আগুন ধরে গেছে। মৌলোবাদী বলে চিৎকার শুরু করবে। তাতে আমার কি হয়েছে? আমি তাদের মাপ দাদার দেয়া হালুয়া রুটি খায় না যে পিপড়া ওঠে যাবে। আমি আমার আল্লাহ দেয়া নেয়ামত খায়। ইসলাম নারী কে রানীর মর্যাদা দিয়েছে। সম্পদে চার আনা দিয়েছে। কিন্তু অন্যে ধর্মে এক আনাও দেয় নাই? তুবুও সেটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথা নাই? যত সব গাঁজা খুরী মগার ভণ্ডের দল। পরামর্শ>< আপনি আপনার সন্তানের ব্যপারে সচেতন হোন। আপনার সন্তানের অপকর্মের কারণে সমাজে আপনার সম্মান হানী হবে। আপনার সন্তানের অপকর্মের কারণে মহান আল্লাহর দরবারে আপনাকে দ্বায়ী হতে হবে। আপনার সন্তানের অপকর্মের কারণে আপনাকে কঠিন আযাব ভোগ করতে হবে। আপনি এমন সন্তান করিবেন লালন? যে সন্তানের কারনে উজ্জল হবে এই ভুবন। 

প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা।ছবি


প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা।ছবি

প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা।যুবকদের প্রশ্ন আমি কি করে বুঝবো বিয়ের আগে আমার স্ত্রী অন্য কারো সাথে সেক্স করেছে কিনা? এই ছবি গুলো প্রমান স্বরূপ প্রকাশ করা হয়েছে। কাউকে হেয়েও করার উদ্দেশে নয়।

প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা,সবাই পড়ুন


প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা,সবাই পড়ুন

প্রেমের আড়ালে অবৈধ সেক্সে কুমারীত্ব হারাচ্ছে মেয়েরা।যুবকদের প্রশ্ন আমি কি করে বুঝবো বিয়ের আগে আমার স্ত্রী অন্য কারো সাথে সেক্স করেছে কি না? এই বিষয়টি নিয়ে ২/৯/১২ লিখে ছিলাম। কিন্তু দূঃখের বিষয়ে আমাকে আবারও লিখতে হচ্ছে। কারন আমি আবারও নতুন শত শত বাংলাদেশী সেক্স ভিডিও পেয়েছি। গণমাধ্যম কে তথ্য জানিয়ে ও কোনো প্রতিকার পেলাম না। বাধ্য হয়ে আমাকেই বার বার লেখতে হচ্ছে। নোংরামী করতেছে কয়েক জন? তা দেখতে আছে দেশের সর্বজন । প্রেমিক প্রেমিকাদের এই সব নোংরা ভিডিও দেখে যুবকরা আমার কাছে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। একটি প্রশ্ন শত শত যুবকরা করেছে। প্রশ্ন টি হলঃ আমি কিকরে বুঝবো বিয়ের আগে আমার স্ত্রী অন্য কারো সাথে সেক্স করেছে কিনা?। এই রকম প্রশ্ন করবেই না কেনো ? কোনো স্বভ সমাজের স্বামীয়ই এই রকম ঘৃণাত্বক বিষয়টি মানতে পারবেনা। এমন কি কোনো স্ত্রীও অন্য মেয়ের সাথে স্বামীর নোংরামী আচরণ মানতে পারবে না। এই রকম কয়েক টি ঘটনা আমি নিজ চোখে দেখেছি। আমি অবাক হয়েছি কয়েক টি ভিডিওর কথকপন শুনে। এর ভিতর ২টি ভিডিওর কথকপন আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরতেছি। ১।মামা তার ভাগ্নী কে বাসার গেটের সামনে দাড় করিয়ে বলতেছে তোর কামিজ উপরে তুল_ছবি তুলবো। অথচ মামা তার ভাগ্নি কে ভিডিও করতেছে। ভাগ্নি তার মামার কথা শুনে কামিজ উপরে তুলে পেট ও এক জোড়া স্তন বের করে রাখলো। এর পর মামা তার ভাগ্নি কে বললো সেলোয়ার খুলতে। এ কথা শুনে ভাগ্নি তার মামাকে জিঞ্জাসা করলো মামা তুমি কি আবারো ভিডিও করতেছো? মামা বললো না ছবি তুলতেছি। তারপর ভাগ্নি মামার কথায় সেলো্যার খুললো। এরপর মামা তার ভাগ্নিকে বললো পাও ২টা একটু ফাক করতে। ভাগ্নি মামার কথা শু্নে পাও ২ ফাক করলো। এবার মামা তার ক্যামেরা দিয়ে ভাগ্নির যৌনির ভিডিও করতে লাগলো। ভিডিও করে মামা তার ভাগ্নিকে বললো যে সুন্দর হয়েছে। ভাগ্নি মহা খুশি হয়ে বলতে লাগলো দেখতে হবেনা কার ভাগ্নি আমি। কই দেখি? এখন চিন্তা করে করে দেখুন দেশ কত বড় ডিজিটাল হয়েছে। এর চেয়ে অবাক হওয়ার বিষয় আছে কি আমার জানা নাই। আরও অবাক এই বারো তেরো বছরের মেয়েটির বুক দেখে। অথচ সতের আঠারো বছরের আপুরা আমার কাছে জানতে চায় কি ভাবে তার ছোট বুক বড় করবে? ২। প্রেমিক প্রেমিকাকে জড়িয়ে চুম্মা দিতে লাগলো। হঠাৎ মেয়েটি কড়াভাষায় ছেলেটিকে বলতে লাগলো আমার কাপড় খুলতে কি তোমার কি কষ্ট হয়? তারপর নিজের কাপড় নিজেই সব খুলে লেংটা হইয়ে গেলো। ছেলেটি মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করতেছে সে মেয়েটিও জানে। এখন চিন্তা করে দেখুন মেয়েরা নোংরামীতে ছেলেদের চায়তে কতটুকু এগিয়ে? আমি এরকম ভিডিও দেখেছি যে প্রেমিক সহ প্রেমিকের বন্ধুরা ও একটি মেয়ের সাথে সেক্স করেছে । এবং তার বন্ধু ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করতেছে তা মেয়ে টি দেখতেছে। এখন চিন্তা করে দেখুন এই অতি আধুনিক ছেলে মেয়েরা কত নিচে নেমে গেছে। এখন আমার প্রশ্ন হলঃ এরা কি মানব সমাজের না কি কত্তার সমাজের? এতো ক্ষন তো ভিডিও কথার বললাম। কিন্তু যেসব ঘটনা ভিডিও হইনা? সেই সব তো আমাদের চোখের আড়ালে রয়ে যাই। এই সব নোংরামী দুনিয়ার কারো চোখে না পড়লে ও এক জনের চোখে ঠিকি পড়তেছে। সেদিন যার যার কৃত কর্মের হিসাব দিতে হবে।এবং তোমার হাত পাও দিয়ে আজ যা কিছুকি করতেছো সবই বলে দিবে কোনো কিছুই গোপন থাকবেনা। ////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////// হে পুরুষ আজকে তুমি যে মেয়েকে প্রেমের ফাদে ফেলে তার দেহকে লুটে পুটে খাচ্ছ? তার নগ্ন ভিডিও ধারন করে বাজারে প্রকাশ করতেছো? এই মেয়েটি হইতো কারো বোন না হয় কারো মেয়ে হবে। তো্মারো তো বোন আছে। বিয়ে করলে মেয়েও হবে। অন্য কেউ যদি তোমার অথবা মেয়েকে নিয়ে এই সমস্ত নোংরামী কাজ করে ? তখন তোমার কেমন লাগবে। তোমার সন্তান যখন দেখবে তুমি বিয়ের আগে অন্য মেয়ের সাথে এই নোংরামী করেছো? তখন সে তোমাকে কি ভাববে? একটু কি ভেবে দেখেছো? তুমি কেনো তোমার বোনের সম্মান নষ্ট করতেছো? তোমার কাছে তোমার বোনের অথবা মেয়ের ইজ্জত আছে? অন্য ভায়ের বা বাবার কাছেও আছে। তুমি যদি স্বভ মানুষের ঘরে জন্ম নিয়ে থাক? তাহলে এই নোংরামীর পথ পরিহার করো। কারন তুমিও এক মায়ের পেট হতে বের হয়ে এসেছো। আবার আরেক জনের মা কে ধর্ষণ করতেছো? তোমার বিবেক গেলো কোথাই? ?????????????????????????????????????????????????????????????? হে নারী আজ তুমি প্রেমের আড়ালে নিজের দেহকে গোপনে অন্য কে ভোগ করতে দিচ্ছো? তুমি কি ভেবেছো সে তো্মাকে বিয়ে করবে? সে যদি তোমাকেই বিয়েই করবে? তা হলে সে তো্মার সাথে বিয়ের আগে পথে ঘাটে সেক্স করবে কেনো? কারন সে তো বিয়ের পরেই তো্মার সাথে এই সব করতে পারবে। ঠিক আছে আমি মেনে নিলাম সে তো্মাকে বিয়েই করবে। তা হলে সে গোপনে তো্মার নগ্ন ভিডিও ধারন করবে কেনো? এর জবাব দাও। অথবা তো্মার মা বাবা অন্য কোনো ছেলের সাথে তোমার বিয়ে দিয়ে দিল? বাসর রাতে তো্মার স্বামী যখন জানতে পারবে বিয়ের আগে তুমি অন্য কারো সাথে সেক্স করোছো? অথবা তো্মার গোপন নগ্ন ভিডিও ক্লিপটি তোমার স্বমীর হাতে আসবে? তখন তো্মার কি হবে একটু ভেবে দেখেছো? যত ঝাটার জুতার বারি আছে? এক টিও মাটিতে পড়বেনা সব তোমার কপালে এসে পড়বে। নিজের খাইয়া নিজের পড়ে তোমাদের কে আর কত বুঝাবো। //////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////// তা ছাড়া এই দেহের মালিক তুমি না তো্মার স্বামীর। তোমার দেহ ভোগ করার সম্পূর্ণ অধিকার তোমার স্বামীর। অন্য কারোর নাই। স্বামীর অধিকার লঙ্গন করার দ্বায়ে তো্মাকে জাহান্নামে যেতে হবে। তোমাদের চেয়ে এ দেশের মাগী ছাগীরাও অনেক ভালো । যদিও তার দেহকে টাকার বিনিময়ে সামান্য সময়ের জন্য অন্যর হাতে তুলে দেয়। তুবুও তো্মাদের মতো বিনা মূললে নিজের দেহকে অন্যকে ভোগ করতে দেয় না। এক টির মাগির দেহর দাম আছে কিন্তু তো্মার দেহর কোনো দাম নাই। আজ যদি বাংলাদেশের নারীদের কুমাড়ীত্ব পরিক্ষা করা হয়? তা হলে শতকরা ৩০% নারীদের কুমাড়ীত্ব পাওয়া যাবে কি আমার সন্দেহ হয়। \\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\\ যে সমাজের নারীদের কুমাড়ীত্ব থাকেনা? সে সমাজকে মানব সমাজ বলে না পুশুর সমাজ বলে। আজ আমাকে বলতে হচ্ছে [[[[ যিনা ব্যভিচার ভরে যাচ্ছে দেশ, কুমাড়ীত্বহীন নারী দিয়ে গড়তে যাচ্ছি ডিজিটাল বাংলাদেশ।]]]] আমরা বাংলাদেশ কে আমেরিকার পুশু সমাজের মতো দেখতে চাই না। বরং আমরা বাংলাদেশ কে স্বভ জাতি হিসাবে দেখাতে চাই। আমেরিকার মতো হায়া লজ্জাহীন ভাবে বিশ্ববাসী কে দেখাতে চাইনা। ---------------------------------

যুব সমাজকে ধংস করে দিচ্ছে নারী দেহ ব্যবসায়ীরা।


যুব সমাজকে ধংস করে দিচ্ছে নারী দেহ ব্যবসায়ীরা। পুরুষহীনতাই ভোগতেছে যুবকরা

যুব সমাজকে ধংস করে দিচ্ছে নারী দেহ ব্যবসায়ীরা। পুরুষহীনতাই ভোগতেছে যুবকরা । এর জন্য দ্বায় এই দেশের নারীর খুলামেলা দেহের ব্যবসায়ীরা। কারন তাদের হাতের তৈরী করা এই সব নোংরা ভিডিও যুবকরা খুব সহজেই এখন দেখতে পাচ্ছে । কারণ এ গুলো দেখতে এখন টি ভি ভিসিডি লাগেনা। লাগে শুধু মেমোরী কার্ড ওয়ালা মোবাইল। এই মেমোরী কার্ডে এই সব সেক্স সিম্বল ভিডিও লোড করে গোপনে বন্ধু বান্ধব নিয়ে দেখে অথবা একা একা নিজেই দেখে। এই সব ভিডিও দেখতে দেখতে যুবকদের শরীরে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তখন ছেলেটি বাধ্য হয় হস্তমিঠুন করতে। এই হস্তমিঠুন করার ফলে যুবকদের শরীরে যৌন দূর্বলতা সৃষ্টি হয়। যার ফলে অনেক যুবকেই এখন বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছে। হাজার হাজার যুবকেই আমার কাছে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে। তার মধ্যে কিছু প্রশ্ন আমি আপনারদের সামনে তুলে ধরতেছি। আমি যৌন দূর্বতাই ভুকতেছি, আমি এক মিনিট ও সেক্স করতে পারিনা। আমার গন গন স্বপ্ন দোষ হয়, আমার বীর্য পাতলা হয়ে গেছে। বাবা মা আমার ঠিক করেছে কিন্ত আমার সেক্স পাওয়ার কমে গেছে, আমি কি পারব আমার স্ত্রী কে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে? এই রকম আরও হাজারাও সমস্যার প্রশ্ন যুবকরা করতেছে। অনেকেরে আমি প্রশ্ন করে ছিলাম আপনি সেক্স ভিডিও দেখে কি না? তারা সবাই শিকার করেছে। এই সব ভিডিও দেখার কারনে যুবকদের মনে সব সময় যৌন চি্ন্তা থাকে। যার কারনে নারী ধর্ষণ দিন দিন বাড়তেছে । এই সব ভিডিও মাঝে আছে বাংলাদেশের তৈরী হট ভিডিও । এই সব ভিডিওতে অভিনয় করেছে ডাস্টবিনের ময়লা আবর্জনায় স্তুপে হতে জম্ম ভোগের বস্তু বাদী হওয়া মেয়েরা। আছে খোলা মেলা সেক্স ভিডিও। এই সব নোংরা ভিডিও যেই যুব সমাজে প্রচার হয়? সেই যুব সমাজের যুবকরা কিভাবে ভালো থাকবে? আমার বুঝে আসেনা। জানিনা এই সব বেজম্মা মডেল ও মডেলিং কারকদের হাত থেকে আমাদের যুব সমাজ কবে রক্ষা পাবে? যারা এইসব তৈরী করে তাদের ঘরে কি মা বোন ছেলে মেয়ে নেই? না কি এরা ডাস্তবিনের ময়লা আবর্জনা থেকে ওঠে এসেছে? আমার মনে হয় ওখান ঠেকেই এসেছে। তা না হলে দূর্গন্ধকে সুগন্ধ মনে করবে কেনো? বর্তমান সরকারের কাছে অনুরুধ রইলো দয়া করে এই সব বেজম্মা নারীর দেহের ব্যবসায়ীদের নোংরামী বন্ধ করুন। যদি সুস্ত সুন্দর প্রজম্ম আপনি বাংলাদেশে রেখে যেতে চান? তা হলে ইসলামী শিক্ষা চালু করুন। না করলে সুফল বদলে গজবের পরিনিতি তে হবে। মনে রাখবেন আপনি এক জন মুসলিম। আমি যত টুক জানি আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। অন্যের জনের খোচাঁয় আরাম পেয়ে আপনার মুসলিম ভাইয়ের পেটে লাঠি মারবেন না। আপনি নিশ্চয় এই কবিতাটি পড়েছে_আমাদের দেশে সেই সন্তান জম্ম নিবে কবে? যেই সন্তান কথাই বড় না হয়ে কাজে বড় হবে। আপনি কথাই বড় না হয়ে কাজে বড় হোন।দুনিয়ার কেউ আপনার সাথে না থাকুক ? কিন্তু মহান আল্লাহ আপনার সাথে থাকবেন। কেননা তিনি ন্যায় বিচারক।তিনি কারো উপরে জলুম করেন না করবেন ও না। তিনি রাহমান তিনি রাহিম।তিনি দয়ালু তিনি দয়ালু দাতা। ....................................................................................... আজ চলে যাচ্ছি তবু দেখা হবে আগামী পোস্টে।আজ এই পর্যন্তই।সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ হাফেজ। 

কয়েকটি ভুল যা ছেলেরা সেক্সের সময় করে থাকে


কয়েকটি ভুল যা ছেলেরা সেক্সের সময় করে থাকে


বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়
আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময়
মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার
চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত
গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই
এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাইনয়) চরম
যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য
বস্তু।
ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের
কারনেই অনেক সময় দেখা যায়
যে তারা তাদের Relationship
টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর
ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের
মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের
সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল
সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-
আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ
ধারনার অভাব।
বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই
পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই
চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য
নিয়ে ও নিজের
অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের
যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর
বিরাগভাজন হতে হয় তার
কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম।
সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের
প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার
বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত
লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবার
ভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায়
একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড লেখার
কথা চিন্তা করব।
১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের
শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু
না খেয়ে তার যৌনকাতর
স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব,
নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার
ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত
সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন।
গভীরভাবে ভালোবাসার
সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের
জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন
যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।
২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই
দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই
মনে করেযে আসল কাজ তো আমার হাত
আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার
সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন
চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন
এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন
তখন আপনার
ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ
ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ
নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই
সেক্সের আগে ভালোমত
দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।
৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন
টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায়
ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের
কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু
করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু
Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ
করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত
উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম
করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই
প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু
দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের
সাথে ওর স্তনে হাত
বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে।
তবে মেয়েই
যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন
সমস্যা নেই।
৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছু
ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই
সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড়
খেতে পছন্দ করে না।
ছেলেরা মনে করে এখানে কামড়
দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত
করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক
সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায়
হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক
পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক
ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত
বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের
করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই
দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।
৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের
বোটা মোড়ানোঃ অনেক
ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল
দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন
করছে।এটা ঠিক নয়।
হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের
সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই
বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক
নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক
(Teasing) । তাই একহাতের
আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য
হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর
রাখতে হবে।
৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের
দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময়
ছেলেদের একটা কথা সবসময়
মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন,
যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের
একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়।
ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের
দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের
মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায়
পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের
কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর
তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর
ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের
এমন একটি স্থানও যেন
না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের
বা হাতের স্পর্শ যায়নি।
৭. ছেলের হাত
আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক
(Aggressive) সেক্স পছন্দ
করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত
হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ
করার জন্য পাগলের মত
হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির
প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত
আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য
হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর
চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক
যৌনতার একটা আবেশ (Mood)
তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে।
তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর
আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।
৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক
ছেলেইমেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার
ভগাঙ্কুরে (clitoris)
জোরে জোরে আঙ্গুল
ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে।
যারা জানেন না তাদের জন্য
বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের
সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি।
এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর
আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ
(labia) আছে তার উপরের দিকে,
মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে।
মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই
স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায়
ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই
স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও
এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের
জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম
দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল
ঘষতে হবে।
৯. একটু থেমে বিশ্রাম
নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার
পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও
আবার সেই স্থান থেকেই শুরু
করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব
হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট
সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত
হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার
আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার
নতুন করে তাদের উত্তেজিত
করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক
মেয়েটির চরম
উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত
তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট
করতে হবে।

যারা পায়ু পথে সেক্স করেন,যৌনাঙ্গতে মুখ লাগান? তাদের কে বলছি।


যারা পায়ু পথে সেক্স করেন,যৌনাঙ্গতে মুখ লাগান? তাদের কে বলছি।



আমার কাছে সবচেয়ে অবাক লাগার মধ্যে দুইটি বিষয় আপনাদের সামনে তুলে ধরতেছি।

১) যে সব ছেলে মেয়েরা একে অপরের যৌনাঙ্গ চুষেন তাদের কে বলছি?
>>এটা নির্কৃষ্ট বিকৃর্তি পুশু ভিক্তিক যৌন আচারন।
পুশুদের হাত নেই বলে পুরুষ পুশু তার নারী পুশুর যৌনাঙ্গতে
মুখ লাগিয়ে উত্তেজিত করে।

কিন্তু মানুষদের হাত আছে, যৌনাঙ্গতে মূখ লাগি
উত্তেজিত করার প্রয়োজন নেই?
এ ক্ষেত্রে হাত যথেষ্ট।

তাছাড়া যৌনাঙ্গতে মুখ লাগালে যৌনাঙ্গতে লেগে থাকা জীবানু
খুব সহজেই আপনার দেহের ভিতরে প্রবেশ করে।

ইসলামের কঠোর নিষেধ আছে যৌনাঙ্গতে মুখ না লাগানোর,
কারণ এই জায়গাটি অপবিত্র, নাপাক।
নাপাক জায়গাতে মুখ লাগালে আপনার
মুখেও অপবিত্র, নাপাক হয়ে যাবে।

আপনার মূখ যাতে নাপাক না হয়?
সে জন্য মহান আল্লাহ বিকল্প ভাবে
মায়ের গর্ভে খাবারের ব্যবস্তা করে
আপনাকে লালন করেছেন।

যাতে পবিত্র মুখে আপনি আল্লাহর
নাম জপতে পারেন, তার কালাম পড়তে পারেন।

২) পায়ু পথে সেক্স করা।
এই কাজ টি ইসলামের দিক থেকে জগন্য অপরাধ,
নবীজি বলেছেন যারা এই কাজটি করবে?
তারা ধংস হয়ে যাবে।
পায়ু পথে যারা সেক্স করে তারা জাহান্নামে যাবে।
এই বিষয়ে অনেক হাদিস ও আছে।
আমিও পড়েছি অনেক আগে।


আপনি পিছন দিক থেকে করেন?
অথবা সামনে দিক থেকে করেন?
আপনাকে সেক্স করতে হবে যৌনি
পথ দিয়ে।

পায়ু পথ দিয়ে সেক্স করলে নারীর
যৌন অধিকার নারীর যৌন অধিকার লঙ্গণ হয়।

তাই বিবাহিত ভাই বোন দের প্রতি অনুরোধ
রইলো আপনারা সেক্স করার সময় এই বিষয়
গুলি মাথায় রেখে সেক্স করবেন।

নাস্তিকবাদীরা আল্লাহ এবং জাহান্নাম বিশ্বাস করে না?
নাস্তিকবাদীদের কে বলছি............
আপনি আল্লাহ এবং জাহান্নাম বিশ্বাস করেন অথবা
নাই করেন?
কিন্তু আল্লাহ আছেন, তাহার তৈরী জাহান্নামও আছে।
যদি বিশ্বাস না করেন?
তা হলে মরে দেখেন।
সব কিছুর প্রমাণ পেয়ে যাবেন।

এইডস প্রতিরোধে করণীয়(দুই)


এইডস প্রতিরোধে করণীয়(দুই)

এইডসের বীজানু সংক্রমিত হওয়ার আরেকটি বিপদজনক মাধ্যম হলো মাদক। বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাদকের যে আগ্রাসনচলছে তাতে অন্য মাধ্যমগুলো বাদ দিলেও শুধুমাত্র মাদকের মাধ্যমেই এইডস মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। মহাজ্ঞানী আল্লাহ তায়ালা তাই মাদককে নিষিদ্ধ করেছেন।
“হে মুমিনগণ, এই যে মদ, জুয়া, প্রতিমা এবং ভাগ্য-নির্ধারক শরসমূহ এসব শয়তানের অপবিত্র কার্য বৈ তো নয়। অতএব, এগুলো থেকে বেঁচে থাকো- যাতে তোমরা কল্যাণপ্রাপ্ত হও। শয়তান তো চায়, মদ ও জুয়ার মাধ্যমে তোমাদেরপরস্পরের মাঝে শত্রুতা ও বিদ্বেষ সঞ্চারিত করে দিতে এবং আল্লাহর স্মরণ ও নামায থেকে তোমাদেরকে বিরত রাখতে। অতএব, তোমরা এখনো কি নিবৃত হবে না”? সূরা আল-মায়েদাহ ৯০-৯১।
মাদকতো মানুষের চিন্তা-চেতনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে, ফলে হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য মানুষ যে কোন অনৈতিককাজে ঝাপিয়ে পড়তে পারে মাদকের কারনে। তাই এইডস থেকে বাঁচতে হলে মাদককে অবশ্যই পরিহার করতে হবে।
রাসূল (সাঃ) বলেন; “তোমরা মদ থেকে বেঁচে থাক, এটা সকল অশ্লীলতার উৎস” -হাকাম।
একজন ঈমানদার কখনোই মাদকের ফাঁদে পা দিতে পারে না। ঈমানদার মাদকে জড়িয়ে পড়লে তার ঈমান চলে যায় এবং তওবা ছাড়া তার পক্ষে আর মুমিন হওয়া সম্ভব নয়। আর তওবা করে মুমিন অবস্থায় ফিরে এলেও মাদকের কারনে যদি এইচআইভি বীজানু শরীরে প্রবেশ করে তবে তওবা কিন্তু এইডস থেকে মুক্ত করে না।
রাসূল (সাঃ) বলেন: “চোর চুরী করার সময় মুমিন থাকে না। ব্যভিচারী ব্যভিচারে রত অবস্থায় মুমিন থাকে না। মদ্যপায়ী মদপানরত অবস্থায় মুমিন তাকে না। অতপর তওবা করলে মুমিন অবস্থায় ফিরে আসে”। -বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসায়ী
সিরিঞ্জ ব্যবহারে সতর্কতা জরুরী
প্রতিদিন হাজারো প্রয়োজনে আমাদের চিকিৎসকের সরনাপন্ন হতে হয় এবং ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ দরকার হয়ে পরে। কিছু কিছু জটিল রোগ রয়েছে যা রোগীদেরকে দিনে একাধিকবার ইনজেকশন নিতে বাধ্য করে। এছাড়া রক্ত পরীক্ষার জন্যও ইনজেকশন ব্যবহার জরুরী।
আর এর প্রতিটি পর্যায়েই এইচআইভি সংক্রমনের মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। তাই শরীরে ইনজেকশনের সুই প্রবেশের পূর্বেই নিশ্চিত হওয়া দরকার যে এটি এইচআইভি বীজানু বহন করছে কি না। এজন্য ইনজেকশনের সিরিঞ্জ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই তা জীবানুমুক্ত করে নেয়া জরুরী। আরএক্ষেত্রে একবার ব্যবহার উপযোগী সিরিঞ্জ ব্যবহার করাই শ্রেয়। বাংলাদেশের এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী ফেলে দেয়া পুরনোইনজেকশনের সিরিঞ্জকে পুনরায় বাজারজাত করে থাকে। এর ফলে শরীরে বিভিন্ন সংক্রমক রোগের বীজানু অনুপ্রবেশের ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই এ ব্যাপারে জনসচেতনা এবং সরকারী কঠোর নিয়ন্ত্রন অত্যন্ত জরুরী।
রক্ত পরিসঞ্চালনে সতর্কতা
এছাড়া রক্ত পরিসঞ্চালন চিকিৎসা ক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয়। কিন্তু জরুরী প্রয়োজনে রক্ত গ্রহণ করতে গিয়ে শরীরে প্রবেশ করতে পারে ভয়ংকর এইচআইভিবীজানু। তাই রক্ত গ্রহণের পূর্বে অবশ্যই সঠিকভাবে রক্ত পরীক্ষা করে নেয়া অত্যন্ত জরুরী। যদিও এক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে ব্যাপক অবহেলা পরিলক্ষিত হয় বিশেষ করে অদক্ষ ও অশিক্ষিত টেকনিশিয়ান দ্বারা রক্ত পরীক্ষা করিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অগ্রিম সীল ও স্বাক্ষরযুক্ত রিপোর্ট ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে নামী-দামী অনেক প্রতিষ্ঠানের নামেও অভিযোগ পাওয়া যায়। তাই রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিকে পরীক্ষা করানো উচিত।
মাতৃত্বকালীন সতর্কতা জরুরী
এইচআইভি বীজানু মায়ের শরীর থেকেখুব সহজেই গর্ভস্থ শিশুর শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তাই শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের স্বার্থে অত্যন্ত সতর্কাবস্থা জরুরী। প্রসবকালী সময়ে এইচআইভি বহণকারী মায়ের শরীর থেকে শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমিত হতে পারে।
এক্ষেত্রে করণীয়:
১। গর্ভাবস্থায় এইচআইভি প্রতিরোধকারী ওষধ নিয়মিত ব্যবহার করা।
২। সিজারের মাধ্যমে সন্তান জন্মদান করা।
৩। বাচ্চাকে বোতলের দুধ খাওয়ানো। তবে জিডোভুডিন ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে ঝুঁকি কিছুটা হ্রাস করা যায় এবং সন্তানকে মায়ের দুধ পান করানো যায়। কিন্তু এরপরও এইচআইভি সংক্রমনের ঝুঁকি রয়েই যায়। ধারণা করা হয় যে শিশুর শরীরে এইচআইভি সংক্রমনের ১০ভাগ মায়ের দুধের মাধ্যমেই সংক্রমিত হয়।
মনে রাখতে হবে যে মায়ের শরীর থেকে বাচ্চার শরীরে এইচআইভি সংক্রমন প্রতিরোধে যে সকল সতর্কতার কথা বলা হয়েছে তার কোনটাই শতভাগ কার্যকরী পন্থা নয়, পদ্ধতিগুলো ঝুঁকি কিছুটা কমাতে পারে মাত্র, ঝুঁকিমুক্ত করে না।
উল্কি হতে পারে এইচআইভি বাহক
ইদানিং পাশ্চাত্য সমাজের অন্ধ অনুকরণে তরুন সমাজ শরীরে উল্কি অঙ্কনের দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়ছে। তরুন সমাজ শরীরে উল্কি অঙ্কনকে আধুনিকতার নিদর্শন হিসেবে মনে করছে। অথচ উল্কি আদৌ আধুনিক কোন শিল্পকর্ম নয় বরং অন্ধকার যুগেও উল্কি অঙ্কনের প্রচলন ছিল। অথচ পাশ্চাত্য অনুকরনে শরীরে উল্কি অঙ্কন করে আমাদের তরুনরা ভয়াবহ এইচআইভি সংক্রমনের ঝুঁকিকে বাঁড়িয়ে তুলছে। উল্কি অঙ্কনের জন্য ব্যবহৃত সুঁচ এবং কালি হয়ে উঠতে পারে এইচআইভি সংক্রমনের বাহন। অথচ রাসূল (সাঃ) উল্কি অঙ্কনককে নিষিদ্ধ করেছেন।
“আল্লাহর রাসূল অভিষাপ দিয়েছেন উল্কি অঙ্কনকারীনীদের এবং তাদের যারা শরীরে উল্কি অঙ্কন করায়”। -বুখারী।

♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥

এইডস প্রতিরোধে করণীয়


এইডস প্রতিরোধে করণীয়

এইডস সম্পর্কে সবচেয়ে ভয়ংকর যে তথ্যটি আমরা এখন পর্যন্ত পাই তা হলো এইডসে আক্রান্ত রোগীকে সুস্থ করার জন্য কোন কার্যকরী ওষুধ এখনো উদ্ভাবন করা সম্ভব হয় নি। “হার্রট” অর্থাৎ Highly active antiretroviral therapy (HAART) নামক এক ধরণের কম্বিনেশন ওষুধ রয়েছে এইডসের চিকিৎসার জন্য যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। এ ওষুধ এইডস রোগীকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করতে পারে না বরং মৃত্যুকে কিছুদিনের জন্য বিলম্বিত করতে পারে মাত্র। যেহেতু এইডসের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং চিকিৎসায় পুরোপুরি আরোগ্যলাভ অসম্ভব তাই এইডস প্রতিকারের চেয়ে এইচআইভি অনুপ্রবেশ অর্থাৎ এইডস প্রতিরোধই কার্যকর উপায়। তবে হতাশার কথা এই যে, এইডস প্রতিরোধের জন্য ব্যাপক গবেষণা চললেও এর প্রতিরোধের জন্য কোন টীকা বা প্রতিষেধক আবিস্কারে অগ্রগতি ঘটে নি এবং খুব সহসাই এইডস প্রতিরোধক টীকা আবিস্কার হওয়ার সম্ভাবনাও ক্ষীণ। তাই এইচআইভি সংক্রমিত করে এমন সব মাধ্যমগুলো সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরী।
কনডম শতভাগ নিরাপদ নয়
এইডস সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রচার মাধ্যমে কনডমের ব্যবহারকে উৎসাহিত করার জন্য চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়। অথচ এইডস প্রতিরোধে কনডম শতভাগ কার্যকরী পন্থা নয়, এমনকি কনডম জন্মনিয়ন্ত্রনেও শতভাগ সফল নয়। তাই কনডমের কার্যকারীতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদানের জন্য খোদ আমেরিকাতেই জোড় তৎপরতাশুরু হয়েছে।
এইডস প্রতিরোধে সংযত যৌনাচার
যৌনস্পৃহা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। বংশবিস্তারের জন্য তথা মানবজাতির ধারা অব্যাহত রাখতে যৌনমিলনের কোন বিকল্প নেই। আর এ জন্যই মানুষ বিয়ে করে,গড়ে তোলে সমাজের ভিত্তিমূল তথা পরিবার। স্বামী-স্ত্রীর যৌনমিলনে ঘর আলোকিত করে আসে নতুন প্রজন্ম এবং তাকে স্থান ছেড়ে দিয়ে পৃথিবী থেকে এক সময় বিদায় নেয় পূর্বসূরীরা। এভাবেই ক্রমান্বয়ে মানবজাতি অব্যাহতভাবে টিকিয়ে রেখেছে তার অস্তিত্ব।
কিন্তু পরিবার প্রথার বাইরে অবাধ যৌনাচার একদিকে যেমন পরিবারকে করে তোলে অশান্ত, সমাজকে করে কলুষিত তেমনি ভয়াবহতম আপদ তথা এইডসের বিস্তারঘটিয়ে অপরাধী-নিরপরাধ এমনকি নিষ্পাপ শিশুদের পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঠেলে দেয়, মানবজাতির অস্তিত্বকে করে হুমকির সম্মুখীন। একজন অনৈতিক যৌনাচারী এইডসের বীজানু বহণ করেরোপন করে স্ত্রী/স্বামীর শরীরে,স্ত্রীর শরীর থেকে তা চলে যায় গর্ভস্থ সন্তানের শরীরে।। অথচ স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের প্রতিবিশ্বস্ত থাকলে খুব সহজেই এইডসের ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকাযায়।
ব্যভিচার এইডসের প্রধান বাহক
ইসলাম যৌনতাকে অস্বীকার করে না বরং নির্ধারিত সীমার মাঝে যৌনাচারকে ইসলাম ইবাদত হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। অবাধ যৌনাচার বা ব্যভিচারকে ইসলাম কখনো অনুমোদন করে না এমনকি ব্যভিচারেলিপ্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এমনবিষয়গুলোকে থেকেও বেঁচে থাকতে ইসলাম নির্দেশ দেয়।
আর ব্যভিচারের কাছেও যেও না। নিশ্চয়ই এটা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ। -সূরা বনী ইসরাইল, আয়াত ৩২
ব্যভিচারকে ইসলাম এতটাই অভিষপ্ত কাজ বলে সাব্যস্ত করেছেযে আল্লাহ ব্যভিচারী/ব্যভিচারীনীর জন্য কঠোরতম শাস্তি এবং তা জনসম্মুখেবাস্তবায়নের বিধান করেছেন।
ব্যভিচারিনী নারী, ব্যভিচারী পুরষ, তাদের প্রত্যেককে একশ করে বেত্রাঘাত কর।আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের দয়ার উদ্রেগ না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। সূরা আন-নূর ২
শুধু তাই নয় ব্যভিচারী/ব্যভিচারীনীর সাথে মুমিনদের বিয়েকেও আল্লাহ নিষিদ্ধ করেছেন:
ব্যভিচারী পুরষ কেবল ব্যভিচারী নারী অথবা মুশরিক নারীকেই বিয়ে করে এবং ব্যভিচারীনীকে কেবল ব্যভিচারী অথবা মুশরিক পুরুষই বিয়ে করে এবং এদেরকে মুমিনদের জন্য হারাম করা হয়েছে। সূরা আন-নূর ৩
সমকামিতা নিকৃষ্টতম যৌনাচার]
সমকামিতা প্রকৃতি ও নৈতিকতা বিরুদ্ধ নিকৃষ্টতম যৌনাচার। এইডসসহ যাবতীয় যৌনরোগ সংক্রমনের অন্যতম ঘৃণ্য মাধ্যম সমকামিতা। জানামতে কোন ধর্মই সমকামিতাকে বৈধ মনে করে না এবং ইসলাম সমকামিতার ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর মনোভাব পোষণ করে। সমকামিতার আল্লাহর কাছে এতটাই ঘৃণ্য আচরণ যে এ অন্যায় আচরণের জন্য তিনি হয়রত লুত (সাঃ) -এর সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ সমকামিতাকে নিষিদ্ধ করে বলেন:
এবং আমি লূতকে প্রেরণ করেছি। যখন সে স্বীয় সম্প্রদায়কে বলল: তোমরা কি এমন অশ্লীল কাজ করছ, যাতোমাদের পূর্বে সারাবিশ্বের কেউ করেনি? তোমরা তো কামবশত: পুরুষদের কাছে গমন কর নারীদেরকেছেড়ে। বরং তোমরা সীমা অতিক্রম করছ। সূরা আল-আ’রাফ ৮০-৮১
সারা জাহানের মানুষের মধ্যে তোমরাই কি পুরুণদের সাথে কুকর্মকর? এবং তোমাদের পালনকর্তা তোমাদের যে স্ত্রীগণকে সৃষ্টি করেছেন, তাদেরকে বর্জন কর? বরং তোমরা সীমা লংঘনকারী সম্প্রদায়। সূরা আশ শো’আরা ১৬৫-১৬৬
শুধু তাই নয় যৌনআবেগের সাথে পুরুষের সাথে পুরুষের কিংবা নারীর সাথে নারীর আলিঙ্গণকেও ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে এবং একে ব্যভিচার হিসেবে সাব্যস্ত করেছে।
রাসূল (সাঃ) বলেন, যৌন আবেগের সাথে নারীদের পারস্পরিক আলিঙ্গনও ব্যভিচারের পর্যায়ভুক্ত -তাবারানী
স্ত্রীর মলদ্বারে সঙ্গমও হারাম
ইসলামে স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের পরিচ্ছদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝে যৌনাচারের ক্ষেত্রে অবাধ স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর অবাধ মেলামেশার পরেও কয়েকটি ক্ষেত্রে বিধি নিষেধ বেঁধে দেয়াহয়েছে। ঋতুকালীন সময়ে স্ত্রী সহবাসকে ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে।
আর তোমার কাছে জিজ্ঞেস করে ঋতু সম্পর্কে। বলে দাও, এটা অশুচি। কাজেই তোমরা ঋতুঅবস্থায় স্ত্রীগমন থেকে বিরত থাক। সূরা বাক্বারা -২২২শুধু তাই নয়, সমকামিতা যেমন ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে ঠিক তেমনি স্ত্রীর মলদ্বারেও সংগমকে ইসলাম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে।
এ প্রসঙ্গে রাসূল (সাঃ) বলেন, যে লোক সমকাম কিংবা মহিলাদের মলদ্বার দিয়ে যৌন সঙ্গম করবে, আল্লাহ পাক তার দিকে ফিরেও তাকাবেন না-তিরমিযী, নাসায়ী, ইবনে হেববান।
সর্বপ্রকার অশ্লীলতাই মূলত অবাধ যৌনাচারকে উস্কে দেয়। এক্ষেত্রে অবাধ যৌনাচার প্রতিরোধে যাবতীয় অশ্লীলতাই পরিহার করা উচিত। আর শয়তান (কিংবা আমাদের প্রবৃত্তি) সব সময় আমাদেরকে অশ্লীলতার দিকে ধাবিত করতে চায়। তাই অশ্লীলতা প্রতিরোধে রাসূল (সাঃ) -এর পরামর্শ হলো নিভৃতে একাকী কোন স্ত্রী/পুরুষের সাথে অবস্থান নাকরা। তিনি বলেন:
কোন পুরুষ যখন কোন মহিলার সাথে নিভৃতে অবস্থান করে, শয়তান তখন তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সেখানে অবস্থান নেয়” -তিরমিযী, তাবারানী।

♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥

এইডস,


এইডস, বাস্তবতা এবং প্রতিরোধ বিভ্রান্তি মোহামমদ সাইফ উদ্দিন ১

যে রোগটি বর্তমান বিশ্বেসবচেয়ে আলোচিত এবং যা পুরো মানবজাতিকে রীতিমতোআতঙ্কিত করে রেখেছে তার নাম এইডস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এককভাবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব এবং বরাদ্দ দিয়েছে এ রোগ প্রতিরোধের জন্য। এ রোগের প্রকৃত রূপনির্ণয় আমাদের মতো দেশে অনেক সময় সম্ভব হয় না।
অন্যান্য রোগের সঙ্গে এইডসের একটি বড় পার্থক্য রয়েছে। এইডসের জন্য দায়ী এইচআইভি নিজে কোনো রোগ সৃষ্টি করে না বরং মানুষের রোগ প্রতিরোধের জন্য যে কোষগুলো আছে ( যেমন CD4+, T Cells ) তাদের ধ্বংস করে দেয়। ফলেমানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায়। তখন অন্য যে কোনো সাধারণ রোগের জীবাণুও মানুষের মৃত্যু ঘটাতে পারে। এইডসের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করার অর্থ নির্ঘাত এবং ধীরলয়ে মৃত্যু। এ ভয়াবহ রোগ বর্তমানে পৃথিবীতে কিরূপ বিস্তৃত তা বোঝার জন্য আসুন কিছু উপাত্ত দেখা যাক।
২০০৫ সালের হিসাব অনুযায়ী
বিশ্বে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ৩ লাখ এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ২ কোটি ৫ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক নারী ১ কোটি ৭৫ লাখ এবং শিশু ২৩ লাখ
শুধু ২০০৫ সালেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪৯ লাখ এর মধ্যে শিশু ৭ লাখ
UNAIDS -এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০৬ সালের শেষ নাগাদ মোট আক্রান্তের সংখ্যা হবে ৬ কোটি ৫০ লাখ(ন্যূনতম)।
১৯৮১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এইডসে সর্বমোট মৃতের সংখ্যা ২ কোটি ৫০ লাখ এবং ২০৩০ সাল নাগাদ আরো প্রায় ১১ কোটি ৭০ লাখমানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।
এবার আমাদের নিজেদের দিকে চোখ ফেরানো যাক। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশভারত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমাদের যে কোনো বিষয় ভারতকে হিসাবের মধ্যে আনতে হয়। কারণ সেই দেশের যে কোনো প্রাকৃতিক,সামাজিক এবং স্বাস্থ্যগতসমস্যার কারণে বাংলাদেশের মানুষকেও ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হয়।
উদাহরণস্বরূপ পোলিওর কথাবলা যায়। বিগত প্রায় ৫ বছর বাংলাদেশ পোলিওমুক্তথাকলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা দেয়নি শুধু ভারতে এরোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে এবং দুঃখজনক হলো ২০০৬ সালের মার্চ মাসে সীমান্তবর্তী একটি জেলায়পোলিও রোগে আক্রান্ত একটি শিশুকে পাওয়া গেছে যাকে পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন এ জীবাণু সীমান্তের ওপার তথা ভারত থেকে আগত। অর্থাৎ পোলিওমুক্ত হওয়া থেকে বাংলাদেশ ন্যূনতম আরো চার বছর পিছিয়ে গেল।
যাই হোক, এইডসের ক্ষেত্রেও ভারতের বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। এ উপমহাদেশে এইডসের ক্ষেত্রে ভারত বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং আশপাশের দেশগুলোকেও ঝুঁকির মধ্যে রেখেছে।
১৯৮৬ সালে তামিলনাডু রাজ্যের কিছু পতিতার শরীরে প্রথম এইডসের জীবাণু ধরা পড়ে। এরপর ১৯৯০ সালে ভারতে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় কয়েক হাজার এবং সেখান থেকে ২০০৩ সালে এর সংখ্যা এক লাফে দাঁড়ায় প্রায় ৫১ লাখে! বিভিন্ন পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতে ৫৭ লক্ষাধিক মানুষ শরীরে এইচআইভি/এইডস নিয়ে বেঁচেআছে।
জাতিসংঘের হিসাবে ১৯৮০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিশ বছরে ভারত ২৭ লাখ মানুষ এইডসের কারণে মৃত্যুবরণ করেছে। শুধু ২০০৫ সালেই যার সংখ্যা চার লাখের বেশি, যা বিশ্বে সর্বোচ্চ। ধারণা করা হচ্ছে, ২০০০-২০১৫ সালের মধ্যে এ মৃত্যুর সংখ্যা এক কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।
এখানে মনে রাখতে হবে, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কারণে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত দেশগুলোয় প্রাপ্ত তথ্য এবং প্রকৃত অবস্থার মধ্যে বিরাট পার্থক্য বিদ্যমান। এসব দেশে অধিকাংশ মানুষের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্ভবহয় না, ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণও জানা যায় না।
বাংলাদেশের অবস্থা ভারতের মতো দ্রুত অবনতিশীল না হলেও অসচেতনতা এবং যথাযথ প্রস্তুতির অভাবে এ দেশ যে কোনো সময় মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারে। বাংলাদেশে প্রথম এইডস শনাক্ত করা হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর সরকারিভাবে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ১৩,০০০ এইডস আক্রান্তের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে এটা নিশ্চিত, প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি।
কারণ
এইডস হওয়ার জন্য পরসপরসম্পর্কিত দুই ধরনের কারণ বিদ্যমান। (১)উপাদানগত এবং (২) আচরণগত।উপাদানগত কারণ পুরো বিশ্বে একই। যেমন-রক্ত, বীর্য, মায়ের বুকের দুধ (যদি মা সেই জীবাণু বহন করে) ইত্যাদির মাধ্যমে এইচআইভি একজনের শরীর থেকে অন্যের শরীরে সংক্রমিত হয়। কিন্তু যেসব আচরণকে এইডস আক্রান্ত হওয়ার মূল কারণ হিসেবে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে-দেখা যায়, এর ক্রমিক প্রাধান্যের ক্ষেত্রে উন্নত ও অনুন্নত/উন্নয়নশীল বিশ্বের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান।
২০০৪ সালের জরিপ অনুযায়ী উন্নত বিশ্বে, বিশেষত আমেরিকায় এইডসের যেসব উপাদান বা আচরণকে ক্রমানুসারে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সেগুলো হলো-
পুরুষের ক্ষেত্রে
১. সমকামিতা-৫৮%
২. সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ-২১%
৩. বহুগামিতা (প্রধানত পতিতাসম্পর্কিত)-১১%
৪. বেপরোয়া যৌন আচরণ-৮%
৫. অন্যান্য-২%
অর্থাৎ অবৈধ যৌন আচরণের কারণে আক্রান্ত-৭৭%
মহিলাদের ক্ষেত্রে
১. বহুগামিতা-৬৪%
২. সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ-৩৪%
বাংলাদেশ এবং ভারতসহ অনুন্নত/উন্নয়নশীল দেশগুলোয় যেসব উপাদান বা আচরণকে ক্রমানুসারে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে সেগুলো হলো-
১. পতিতালয়
২. সিরিঞ্জের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ
৩. সমকামিতা
৪. পেশাদার রক্তবিক্রেতা
৫. অন্যান্য
দেখা যাচ্ছে, প্রাধান্যের ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকলেও মূল কারণ দুটি, অবৈধ যৌন আচরণএবং মাদকদ্রব্য। অন্যান্য কারণগুলো এ দুটি কারণের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবেসম্পর্কিত।

আরো
পড়তে থাকুন

যৌন রোগ সিফিলিস (Syphilis)


সিফিলিস (Syphilis)

সিফিলিস রোগের জীবানুর নাম ট্রেপনোমা প্যালিডাম। সিফিলিস আক্রান্ত কারো সাথে যৌন মিলনে এই রোগ হয়ে থাকে , তবে রোগীর রক্ত গ্রহনের মাধ্যমেও এই রোগ হয়। আবার গর্ভাবস্থায় মায়ের সিফিলিস থেকে থাকলে সন্তান সেখান থেকে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে ভূমিস্ট হয়ে থাকে। সাধারণত আক্রান্ত কারো সাথে যৌন মিলনের ২ - ৪ সপ্তাহ পরে এই রোগের লক্ষন গূলো দেখা দেয় , তবে কারো কারো ক্ষেত্রে ৩ মাস পর্যন্ত দেরী হতে পারে।
এটা শুরুতে পুরুষের যৌনাঙ্গের মাথায় বা শীস্নে হাল্কা গোলাপী ব র্ণের একটা দাগ হিসেবে দেখা দেয়। ধীরে ধীরে এটা বড় হয়ে ফোস্কা বা ঘায়ের মতো হতে থাকে। রোগ শুরুর ২ মাসের মধ্যেও যদি চিকি ৎ সা না নেয়া হয় তবে যৌনাঙ্গের ঘা দ্রুত ছড়াতে থাকে এবং সেই সাথে জর ও মাথা ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দেয় এবং শরীরের বিশেষ করে কুচকীর গ্রন্থিগুলো বড় হয়ে যেতে থাকে। এ রোগ পায়ু-পথ , ঠোট , মুখ , গলনালী , খাদ্যনালী এমনকি শ্বাসনালীতেও ছড়িয়ে পড়তে পারে , অবশ্য এটা নির্ভর করে কোন পথে যৌনাচার করা হয়েছিলো তার উপড়।
এ অবস্থায় ও যদি কেউ চিকিৎসা নিতে অবহেলা করে তবে রোগটি খুবই জটিল আকার ধারন করে। তবে কারো কারো ক্ষেত্রে এটি সুপ্ত অবস্থায় চলে যায় এবং বছর দুয়েক সুপ্ত থাকার পরে ভয়াবহ রুপে দেখা দেয়। এভাবে চিকিৎসাহীন থেকে গেলে পুরুষাঙ্গের মাথায় বিশাল আকৃতির বিশ্রী ক্ষত বা ঘা হয় , অবস্থা আরো জটিল হতে থাকে এবং এক সময় এই রোগ হৃদপিন্ড এবং মস্তিস্কে ছড়িয়ে পরে বা নিউরোসিফিলিস (Neurosyphilis) হয় , যা রো গীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।
বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ( যেমন VDRL, TPHA) এই রোগটি সনাক্ত করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়েই সিফিলিসের চিকিৎসা করানো উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পেনিসিলিন শ্রেনীর ঔষধ সেবন অথবা ইঞ্জেকশন গ্রহনে এই রোগ পুরোপুরি ভালো হয়ে যায়। স্বামী - স্ত্রী বা যৌনসঙ্গী উভয়েরই চিকিৎসা নেয়া উচিত অন্যথায় এই ইনফেকশন সঙ্গীর কাছ থেকে আবার হতে পারে।


♥♥♥♥সমাপ্ত♥♥♥♥

লিঙ্গ সমস্যা


লিঙ্গ সমস্যা

একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন। সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারনসংক্রান্ত।
তো তারা গেলেন খালেদা জিয়ার কাছে। ম্যাডাম, কাঁঠাল কোন লিঙ্গ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না। আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি। তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না। তখন তারা গেলএরশাদের কাছে। এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঁঠাল হল পুং লিঙ্গ। কারণ কাঁঠালের বিচি আছে।
এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।
আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ? জানতে চাওয়া হল প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে। খালেদা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে। সেই খোঁজ আর আসে নাদেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।
এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ। এবারও যথারীতি খালেদা জিয়া ফেলটুস। বলতে পারলেন না। অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা। তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রীলিঙ্গ।

ছেলেদের প্রধাণ সমস্যা – দ্রুত বীর্যপাত


ছেলেদের প্রধাণ সমস্যা – দ্রুত বীর্যপাত

আমরা অনেকের কাছ থেকে প্রশ্ন পেয়েছি দ্রুত বির্যপাত বিষয়ে । আজকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা এবং সলিউশন দেয়া হবে ।
ছেলেদের প্রথমেই যে প্রশ্ন টা থাকে তা হল , – “আমার দ্রুত বের হয়ে যায় । আমি কি করবো ? “
এটির জন্য আমরা অনেকগুলো সলিউশনদেখবো । তবে সবার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে । একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়,সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবলতখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনারএ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়েযাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।
অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেনতার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই ।
এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে ।বোঝানোর চেষ্টা করছি। ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরামাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় ।
এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল ,অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়েগেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনেযাই এবার আমরা ।
একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছুনেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বেরহয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন -
- হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
- এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
- একটি অন্য্রকম পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়েধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
- ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
- একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশিনা করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।
আশা করি এসকল ব্যপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে আরোমজার ।
♥♥♥♥সমাপ্ত
♥♥♥♥ 

দ্রুত বির্যপাত 1

আমরা অনেকের কাছ থেকে প্রশ্ন পেয়েছি দ্রুত বির্যপাত বিষয়ে । আজকে এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা এবং সলিউশন দেয়া হবে ।
ছেলেদের প্রথমেই যে প্রশ্ন টা থাকে তা হল , – “আমার দ্রুত বের হয়ে যায় । আমি কি করবো ? “
এটির জন্য আমরা অনেকগুলো সলিউশনদেখবো । তবে সবার আগে দ্রুত বলতে আপনি কি বোঝান তা বুঝতে হবে । একটি ছেলের যদি করার সময় ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়,সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না । এমনকি ৬-৭ মিনিট ও স্বাভাবিক বলা হয় । আপনি তখনি আপনার এ বিষয় টি নিয়ে চিন্তা করবেন যখন আপনার তার থেকেও কম অর্থাৎ ১-৫ মিনিটে বের হয়ে যাবে । কেবলতখনি আপনি বলতে পারবেন যে আপনারএ সমস্যা অর্থাৎ দ্রুত বের হয়েযাচ্ছে। চিন্তার কোন কারণ নেই । মূল আলোচনার আগে আর একটি প্রচলিত ধারণার কথা বলা যাক ।
অনেক মানুষ ই আছেন যারা মনে করেনতার অধিকাংশ সমস্যার কারণ মাস্টারবেশন । এটি ভুল ধারণা । মাস্টারবেশন বা হস্তমৈথুন সম্পুর্ণ স্বাভাবিক একটি ব্যপার । এতে আপনার কোন দিক দিয়েই কোন ক্ষতি হবার চান্স নেই ।
এই কথাটি বলার কারণ খুব ই সরল । কারণ অনেকেই মনে করে তার দ্রুত বীর্যপাতের আসল কারণ সে অনেক মাস্টারবেট করে । এখানে একটি থিওরি আছে ।বোঝানোর চেষ্টা করছি। ধরুণ আপনি বাথরুমে গেলেন মাস্টারবেশন করতে । আপনি যসি ২০মিনিট ধরে করেন তাহলে অবশ্যই আপনার বাসা থেকে ডাকাডাকি হবে , না হলেও আপনার অবচেতন মন ই আপনাকে তাড়া দেবে । এজন্য যা হয় তা হল , অবচেতন ভাবেই ছেলেরামাস্টারবেট করতে করতে দ্রুত কিভাবে বের করা যায় সেটা শিখে ফেলে । পরে সেক্স করার সময় মনের অজান্তেই হয়তো পেনিসের তার সেই স্পেশাল জায়গা অথবা তার সে বিশেষ স্টাইল সে ধরে ফেলে , ফলে তাড়াতাড়ি বের হয়ে যায় ।
এখন , যাদের আসলেই দ্রুত বের হয়ে যায় তারা কি করবেন ? কারণ অবশ্যই , আপনার গার্লফ্রেন্ড বা ওয়াইফ আপনার পেনিস মুখে নিল , আর আপনার বের হয়ে গেল কিছু করার আগেই , অথবা ধরলো আপনার পেনিস , সাথে সাথে বের হয়ে গেল ,অথবা আপনার গার্লফ্রেন্ড বা পার্টনার হয়তো উত্তেজক কিছু করলো আপনার সাথে , তখনি বের হয়েগেল । এগুলো হল সমস্যা। সলিউশনেযাই এবার আমরা ।
একটি ব্যপার স্বাভাবিক । ধরুন আপনি অনেকদিন করেন না , আপনার পার্টনারের সাথে অনেকদিন পর করতে গিয়ে উত্তেজনায় দ্রুত বের হয়ে আসলো স্পার্ম । এটি স্বাভাবিক , এতে ঘাবড়ানোর কিছুনেই । এটি আপনার অক্ষমতা নয় । এবার আসুন দেখি যাদের দ্রুত বেরহয়ে যায় তারা কি কি করতে পারেন -
- হাতের ওপর জোর বাড়ানো । অনেক সময় দেখা যায় ছেলেরা করার সময় সব বা প্রায় সব ভর পেনিস এই দিয়ে থাকে , এতে দ্রুত বের হয়ে যেতে পারে তাই হাতে জোর বাড়াতে হবে ।
- এক পজিশনে বেশিক্ষণ না করে পজিশন বদলে বদলে করতে হবে ।
- একটি অন্য্রকম পদ্ধতি হল একবার বের করে দেয়া । আপনি আপনার স্পার্ম পার্টনার কে দেখিয়ে তার গায়ে অথবা অন্য কোথাও সেক্স এর আগেই বের করুন একবার। সে হর্নি হবে দেখে । এবার পেনিস টা ভালমত পানি দিয়েধুন । এবার ২মিনিট ব্রেক এর পর আস্তে আস্তে আবার কিসিং শুরু করুন । ১৫মিনিটের মাথায় আবার ঢুকাতে সক্ষম হবার কথা ।
- ঢোকানো অবস্থায় যদি আপনার মনে হয় যে এখনি বের হয়ে আসছে তখন আর সোজা ধাক্কা না দিয়ে ঘোরানো শুরু করুন । হাত দিয়ে পেনিস ধরবেন না ।
- একটি অভ্যাস প্র্যাকটিস করুন বাসায় । নিজে পেনিস কে উত্তেজিত করে বের হওয়ার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত নিয়ে যান , এর পর আবার স্বাভাবিক হোন বের না করে । এটি সপ্তাহে একবারের বেশিনা করাই ভাল কারণ এতে দেহের ক্ষতি হতে পারে ।
আশা করি এসকল ব্যপারে সতর্ক থাকলে আপনার সেক্স লাইফ হবে আরোমজার ।
♥♥♥♥সমাপ্ত
♥♥♥♥ 

পৌরুষত্ত্বের শক্তি বাড়াতে চান??? (গোপনীয়)


পৌরুষত্ত্বের শক্তি বাড়াতে চান??? (গোপনীয়)

সাধারণতঃ বিয়ের ১২/১৫ পনের বছরপর থেকে প্রায় সকল পুরুষেরই দৈহিক পৌরুষ শক্তি ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে থাকে। আবার যদি ডায়াবেটিস- ধরে তাহলে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অতি দ্রুত শরীরের এই বিশেষ ইলেকট্রন প্রবাহ কমে যায়। যা আপনার সাংসারিক জীবনে কিছুটা হলেও বিরূপ প্রভাব বিস্তার করে। এথেকে পরিত্রাণের জন্য কিছু সহজউপায় আছে যা প্রথমত পালন করা সহজ মনে হলেও কন্টিনিউ করা কঠিন। নিম্রে উপায়গুলি বলে দিচ্ছি :
প্রতিদিন খেতে হবে (বেশি না খাওয়াই ভাল)
১।-এ্যলমন্ড (কাঠ বাদাম) ৩/৪টি (সাধারণ দোকানে অনেক দাম বেশী তাই কাওরান বাজার কিচেন মার্কেটের দোতালায় পাওয়া যায় ৪৩০ টাকা কেজি সেখান থেকে ২৫০ কিংবা ৫০০ গ্রাম নিতে পারেন। অনেকদিন চলে যাবে এতে।)
২।-ছোট কলা (চম্পা) ১টি
৩।-গাভীর দুধ – আধা কাপ
৪।-আঙ্গুর – ৩/৫টি না পেলে রসুনের কোয়া ছোটগুলো কাচা ৩/৫টি । তবে দুধ এবং আঙ্গুর বা রসুন খাওয়ার মধ্যে কমপক্ষে ৪-৫ঘন্টা ব্যবধান থাকতে হবে। নচেত শরীরের রক্তের ক্ষতি করে।
৫।-ই-ক্যাপ-২০০ এমজি (ক্যাপসুল)প্রতিদিন রাতে ১টি করে (যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের জন্য প্রযোজ্য- তবে কেউ প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন )
আশা করছি আপনার কাজ হবে